ঢাকাশনিবার , ১০ ডিসেম্বর ২০২২
  1. অপরাধ ও দুর্নীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আহত
  4. এওয়ার্ড
  5. কৃষি
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. তথ্য প্রযুক্তি
  9. দিবস
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচন
  12. বিনোদন
  13. মৃত্যু
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খানসামার বাঁশ শিল্প যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে

Ranisankailnews24
ডিসেম্বর ১০, ২০২২ ৬:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মো. আজিজার রহমান, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
বাঁশ দিয়ে শিশুদের জন্য দোলনা থেকে শুরু চেয়ার, বুকসেল, ওয়াড্রপসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র তৈরি ও বিক্রি করে ভাগ্যের পরিবর্তন করেছেন দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পুলেরহাটের সিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের শিশু-কিশোরসহ ১৩ জন সদস্য এই পেশায় জীবিকা নির্বাহ করছেন। তারা দোলনাসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র বিক্রি করে, তারা প্রতি মাসে আয় করেন প্রায়  লক্ষাধিক টাকা আয় করছেন। এতে তাঁর সংসারে ফিরেছে সচ্ছলতা। সংসারে স্বচ্ছলার পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সিরাজুল ইসলাম উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পুলহাটের বাসিন্দা। তিনি রানীরবন্দর-খানসামা সড়কের পাশেই পুলহাটে গড়ে তুলেছেন এই দোলনা তৈরির কারখানা। কারখানায় প্রতিনিয়তই দোলনাসহ চেয়ার, বুকসেল, ওয়াড্রপসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র  তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করেন, সিরাজুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

দোলনা তৈরির কারিগর সিরাজুলের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ৩২ বছর ধরে দোলনাসহ চেয়ার, বুকসেল, ওয়াড্রপসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র তৈরি করছেন। তাঁর হাতেই হাতেখড়ি পরিবারের সদস্যদের। সময়ের পরিক্রমায় তাঁর ব্যবসার পরিধি বাড়তে থাকে। এ কাজের ফলে তাঁর সংসারের অভাব-অনটন দূর হয়েছে।

তিনি আরো জানান, বাঁশ, প্লাস্টিকের ফিতা ও পেরেক দিয়ে দোলনাসহ চেয়ার, বুকসেল, ওয়াড্রপসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র তৈরি করা হয়। প্রতি মাসে গড়ে তৈরি ২০০-২৫০টি দোলনা। এগুলো তাঁর কারখানাতেই তৈরি হয়। দোলনাসহ চেয়ার, বুকসেল, ওয়াড্রপসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র আকারভেদে বিক্রি হয় ২০০-২৫০০ টাকায়। দোলনা তৈরির কারিগর সিরাজুল, তাঁর তিন ছেলে ও নাতিরা মিলে কারখানায় কাজ করেন। ফলে প্রতিমাসে তাঁদের আয় হয় অন্তত লক্ষাধিক টাকা। তাঁর কারখানায় উৎপাদিত দোলনা খানসামা উপজেলার পাশাপাশি দিনাজপুর, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, রংপুর বগুড়াসহ কয়েকটি জেলা ও উপজেলায় পাইকারি দরে বাজারজাত করেন তিনি।

সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, ‘দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত আমি এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত। এতে আমি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। পাশাপাশি আমার ছেলেদেরও কর্মসংস্থান হয়েছে। তবে বর্তমানে দোলনাসহ চেয়ার, বুকসেল, ওয়াড্রপসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র তৈরির উপকরণের দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারনে লাভের পরিমাণ অনেক কমেছে।’

ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাখাওয়াত হোসেন লিটন বলেন, তারা দীর্ঘ দিন ধরে দোলনা তৈরি করে আসছে।এনারা এই কাজ করে ২৫ থেকে ৩০ জন কর্মসংস্থান করেছেন। বাংলাদেশে আমরা বাচ্চাদের যেভাবে মানুষ করি তার জন্য প্রয়োজন দোলনা যা এখান থেকে সমগ্র দেশে যাচ্ছে তারা এই দোলনার ঘাটতি পূরণ করছে ঢাকা শহরে দোলনা গেলে অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। বাঁশ বেদ এর দোলনা ব্যবহার করলে অনেক টাকা সাশ্রয় হয়। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের পাইকারী বাজারে বিক্রি করছে স্বল্প মূল্যে। ফলে সাধারণ মানুষের দোলনার চাহিদা পূরণ করছে তারা। বিশেষ করে উপজেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে তাদের সহযোগিতা করলে এই পেশাকে ধরা রাখা সম্ভব।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।